দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় চালক ও যাত্রীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ বাড়ছে। মহাসড়কের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্ট্রিটলাইট বা সড়কবাতি না থাকায় ঘুটঘুটে অন্ধকারে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে বলে অভিযোগ নিয়মিত যাতায়াতকারীদের।
পরিবহন সংশ্লিষ্ট ও সচেতন মহলের মতে, মহাসড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকলে রাতের বেলার অনেক দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। সড়ক অন্ধকার থাকায় শুধু দুর্ঘটনাই ঘটছে না, পাশাপাশি দূরপাল্লার গাড়িগুলোতে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।
নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা জানান, দেশের এই লাইফলাইন খ্যাত মহাসড়কে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। একটি দুর্ঘটনা শুধু একজন মানুষের জীবনই কেড়ে নেয় না, বরং পুরো পরিবারকে আজীবনের জন্য পঙ্গু ও নিঃস্ব করে ফেলে। এর ওপর আবার কিছু অসচেতন চালকের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং মাদকাসক্ত অবস্থায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণের কারণে রাতের বেলা পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
সড়ক ব্যবহারকারী, যাত্রী ও চালকেরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ও অন্ধকার অংশগুলোতে অবিলম্বে আধুনিক সড়কবাতি স্থাপন, নিয়মিত তদারকি এবং হাইওয়ে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
https://slotbet.online/