কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী নৌপথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, বন্দর এলাকায় যানবাহন থেকে টোল আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বন্দর কর্মকর্তাকে সতর্ক করেছেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চিলমারী, রৌমারী ও চর রাজীবপুর উপজেলার জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বন্দর কর্মকর্তা পুতুল চন্দ্রের সঙ্গে কথা বলছেন সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত নৌভাড়া আদায়, জেলেদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সংসদ সদস্য বলেন, নৌযান ভাড়া, মালামাল পরিবহন ও নির্ধারিত টোলের কোনো দৃশ্যমান তালিকা বা সাইনবোর্ড না থাকায় যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি বন্দর কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনি এখানে বসে কী করেন? এসব দেখেন না কেন?”
এ সময় বন্দর কর্মকর্তা পুতুল চন্দ্র জানান, নৌভাড়ার সাইনবোর্ড রৌমারী ও রাজীবপুর ঘাটে রয়েছে। তবে সংসদ সদস্য ও উপস্থিত নেতারা এ দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্দর এলাকায় নৌকা, জেলে ও বিভিন্ন যানবাহন থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া বন্দর ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত কাজ এবং পরিচালনায় নানা অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
চিলমারী উপজেলার নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে বলেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সব ধরনের অনিয়ম বন্ধ করতে হবে এবং যাত্রীদের জন্য ন্যায্য ভাড়ায় সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় চিলমারী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির সাবেক সহকারী অধ্যাপক নুরে আলম মুকুল, সহকারী অধ্যাপক বাদলসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
https://slotbet.online/