রেকর্ড পরিমাণ ভারী বর্ষণ এবং চট্টগ্রাম নগরীর নালা-নর্দমা ও খাল ভরাট হয়ে যাওয়াই এবারের ভয়াবহ জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে চট্টগ্রামের বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত হালিশহর এবং বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় বন্যাকবলিত ও পানিবন্দী মানুষের মধ্যে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে ত্রাণমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন এবং জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতির সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন এবং দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, “পরিদর্শন শেষে আমি প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত জানাব। এরপর প্রয়োজনীয় জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত সরকার। তাই জনগণের প্রতি সরকারের জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতা রয়েছে। মানুষের দুর্দশার সময়ে সরকার কখনোই নিষ্ক্রিয় থাকবে না। সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে আসাদুল হাবিব দুলু জানান, চলতি বছর দেশজুড়ে ৪০ লাখ পরিবারকে বিশেষ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। এছাড়া বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
https://slotbet.online/