খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার গুইমারা-মুসলিমপাড়া সড়কের বেশ কিছু স্থান নির্মাণের কিছু দিনের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় অনেক বাসিন্দা।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ হলেও দুই দিন পার না হতেই বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু করে এবং সড়কের মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এতে নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন তারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, জনগণের অর্থে নির্মিত একটি সড়ক এত অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা মনে করছেন, বিষয়টি তদন্ত করে নির্মাণকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ত্রুটি থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হলেও স্থানীয় পর্যায়ে তেমন কোনো সংবাদ প্রকাশ বা অনুসন্ধান দেখা যাচ্ছে না। এ কারণে স্থানীয় সাংবাদিকদের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে তারা দাবি করেন।
স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, সড়কটি টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজের মান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. নাঈম। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে দুটি স্থানের ছবি ছড়িয়েছে, তার একটি ড্রেনের। সেখানে এখনও স্লোপ ড্রেনের কাজ বাকি রয়েছে। কাজ সম্পন্ন হলে ওই স্থানে আর কোনো সমস্যা থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, রাস্তার সোল্ডারের মাটি সরে যাওয়ায় কিছু এজিং (Edging) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেটিও দ্রুত মেরামত করা হবে। প্রকল্পের কাজ এখনও চলমান রয়েছে এবং বাকি কাজ শেষ হওয়ার পর সড়কটি পূর্ণাঙ্গভাবে ব্যবহার উপযোগী হবে বলে তিনি জানান।
https://slotbet.online/