নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের ‘বি’ গ্রুপ থেকে তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। এখন তাদের সঙ্গী হিসেবে শেষ চারে উঠবে কোন দল, সেটি নির্ধারণ হবে আজকের বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের ম্যাচে। দুই দলেরই পয়েন্ট সমান দুই। ফলে সমীকরণও বেশ পরিষ্কার— জয় পেলেই সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করবে যে কোনো একটি দল।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগের ম্যাচটি জিততে পারলে আজকের এই কঠিন পরীক্ষায় নামতে হতো না বাংলাদেশকে। সেই ম্যাচে জয়ের সম্ভাবনাও তৈরি করেছিল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। তবে ১১৪ রানের লক্ষ্য দিয়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি নিজেদের করে নিতে পারেনি তারা।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং— তিন বিভাগেই কিছুটা ঘাটতি ছিল বাংলাদেশের। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ক্যাচ হাতছাড়া হওয়ার বিষয়টি ম্যাচের ফলাফলে বড়ো প্রভাব ফেলেছে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সোবহানা মোস্তারি জানান, ১৮তম ওভার পর্যন্ত ম্যাচ বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণেই ছিল।
মোস্তারি বলেন, ১৮তম ওভারে ডিপ মিড উইকেটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ মিস হয়। সেটি নিতে পারলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত বলেও মনে করেন তিনি।
শুধু ফিল্ডিং নয়, ব্যাটিংয়েও আক্ষেপ রয়েছে বাংলাদেশের। ১১৪ রানকে যথেষ্ট মনে করেননি মোস্তারি। তার মতে, দলটির লক্ষ্য ছিল ১৪০ রানের বেশি সংগ্রহ করা। কিন্তু ইনিংসের মাঝের দিকে রান তোলার গতি কমে যাওয়ায় সেই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হয়নি।
নিজের ও স্বর্ণা আক্তারের ব্যাটিং প্রসঙ্গে মোস্তারি জানান, তারা স্ট্রাইক ঘুরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে ইনিংসের শেষ তিন-চার ওভারে সেই সুযোগ যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারেননি।
এশিয়া কাপের মতো বড়ো টুর্নামেন্টে ভালো করতে হলে ব্যাটিং ও ফিল্ডিংয়ে আরও উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে বলেও মনে করেন এই ব্যাটার। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ক্যাচ ধরে রাখার পাশাপাশি স্কোরবোর্ডে আরও বেশি রান তোলার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
তবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হতাশা ভুলে এখন পুরো মনোযোগ আরব আমিরাতের ম্যাচে বাংলাদেশের। প্রতিপক্ষকে সহজভাবে দেখছেন না মোস্তারি। তিনি বলেন, আরব আমিরাতও ভালো দল। তাই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে হলে নিজেদের সেরাটা দিয়ে ম্যাচটি জিততে হবে বাংলাদেশকে।
https://slotbet.online/