টানা তিন দফা দাম কমার পর দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার প্রতি ভরি ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
শনিবার সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। একই দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। ফলে আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দেশের বাজারে নির্ধারিত নতুন দামেই স্বর্ণ বিক্রি হবে। বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ার কারণে দেশের সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯০ টাকায়। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বর্ণের দাম সর্বশেষ সমন্বয় করেছিল বাজুস। ওই সময় প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর ও ৬ সেপ্টেম্বর আরও দুই দফা স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। অর্থাৎ, কয়েক দফা কমার পর এবার এক দফায় আবার দাম বাড়ানো হলো।
বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অলংকারের নকশা ও ধরন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
পুরোনো অলংকার বদলে নতুন অলংকার নেওয়ার ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দেওয়ার পর ১২ শতাংশ কেটে নিতে হবে। আর পুরোনো অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই মূল্য কার্যকর থাকবে।
https://slotbet.online/