মার্কিন ডলারের দর কমে যাওয়ার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে। মঙ্গলবার স্পট মার্কেটে মূল্যবান ধাতুটির দাম ০.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এদিন স্টক মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে ৪ হাজার ৪২৯ দশমিক ৮৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার দর প্রায় অপরিবর্তিত থেকে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৭৫ দশমিক ১০ ডলারে অবস্থান করছে।
এদিন মার্কিন ডলার সূচকও ০.৪ শতাংশ কমেছে। ডলারের মূল্য কমে যাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রায় লেনদেন করা ক্রেতাদের জন্য ডলারে নির্ধারিত স্বর্ণ তুলনামূলকভাবে সস্তা হয়ে ওঠে। এতে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ার প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
পেপারস্টোন গ্রুপের গবেষণা বিভাগের প্রধান ক্রিস ওয়েস্টনের মতে, বর্তমানে স্বর্ণের বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে এক ধরনের টানাপড়েন চলছে। তবে বাজারের কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত এতটা শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারেনি, যা স্বর্ণের দামে দীর্ঘমেয়াদি কোনো নির্দিষ্ট প্রবণতা তৈরি করতে পারে।
এর আগে টানা দুই কার্যদিবসে স্বর্ণের দাম কমেছিল। আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান প্রত্যাশার তুলনায় দ্রুত বাড়ার তথ্য প্রকাশের পর দেশটির সুদের হার নিয়ে বাজারে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ১ শতাংশে অপরিবর্তিত ছিল।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। সাধারণত সুদের হার বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যায়। বিপরীতে সুদের হার কমার প্রত্যাশা তৈরি হলে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের চাহিদা বাড়তে পারে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও এদিন বেড়েছে। প্রতি আউন্স রুপার দাম ১ শতাংশ বেড়ে ৬৬ দশমিক ৭৮ ডলারে উঠেছে। প্লাটিনামের দাম ০.৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৮৩৪ ডলার। এছাড়া প্যালাডিয়ামের দাম ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৪০২ দশমিক ৮৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
https://slotbet.online/